মাসিক নিয়মিতকরণ বা এম.আর (Menstrual Regulation)
বর্তমানে প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার অতি পরিচিত একটি শব্দ এম. আর (Menstrual Regulation) বা মাসিক নিয়মিতকরণ। এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে জরায়ুর অভ্যন্তরীন পরিবেশ বিঘ্নিত হয়, ফলে জরায়ুতে ভ্রুন স্থাপিত হতে পারে না বা হতে দেয়া হয় না।
ঋতুবন্ধ বয়সী মহিলার স্বস্তি
মহিলাদের ১২ থেকে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত যে ঋতুপ্রক্রিয়া চলে তাকে মাসিক বা মেনস্ট্রুয়েশন বলে। সাধারণত ৪৫ বছর পর থেকে স্বাভাবিক নিয়মে মহিলাদের মাসিক বন্ধ হয়ে যায়, একে মেনোপজ বলে। অনেকের ক্ষেত্রে তা ৫৫ বছরের পরেও হতে পারে।
পোস্ট মেনোপজাল সিনড্রোম : সাধারণত মহিলাদের মাসিক বন্ধ হওয়ার পর থেকে কতগুলো শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়, একে পোস্ট মেনোপজাল সিনড্রোম বলে।
লক্ষণগুলো নিম্নরূপ আরো পড়ুন »
নারীর একান্ত সমস্যা
@@@ এন্ডোমেট্রিওসিস নামক স্ত্রীরোগ থাকলে (পিরিয়ডের আগে পরে প্রচন্ড পেতে ব্যাথা ও হেভি ব্লিডিং) অনেক সময় রেক্টো-ভ্যাজাইনাল পলিপ হতে পারে । তাতে সহবাসের সময় প্রচন্ড ব্যাথা যন্ত্রনা করে। স্বাভাবিক দাম্পত্যজীবন যাপন দুরহ হয়ে ওঠে।এ ক্ষেত্রে ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে পলিপ বের করে সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আরো পড়ুন »
মেয়েদের পিরিয়ড বন্দ্ব হওয়া কোন ব্যাধি নয়
মেয়েদের পিরিয়ড বন্দ্ব হওয়া একটি প্রাকৃতিক জৈব প্রক্রিয়া। কিন্তু পিরিয়ড বন্দ্ব হওয়ার সময় যেসব শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে তা জীবনের স্বাভাবিক ছন্দকে বিঘ্নিত করে। সাধারণত গর্ভধারন কিংবা অন্যান্য যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কোন মহিলার একবছর নিয়মিত পিরিয়ড না হলে তার মেয়েদের পিরিয়ড বন্দ্ব হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়। পশ্চিমা রমণীদের গড়ে ৫১ বছর বয়সে এটা ঘটে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের মহিলাদের এটা অনেক ক্ষেত্রে আগেও ঘটতে দেখা যায়। আরো পড়ুন »
কিশোরীর স্তন বিশাল বড় হয়ে যাওয়া
অনেক সময় কিশোরী বয়সে অর্থাৎ মেয়েদের বয়োসন্ধির সময় স্তন বিশাল বড় হয়ে যেতে দেখা যায়। অনেক মেয়ে প্রথম গর্ভধারনের সময় ও এমন সমস্যায় পরতে পারে। বয়োসন্ধির সময় ইস্ট্রোজেন (Oestrogen) হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের স্তন এর স্বাভাবিক পূর্ণতাপ্রাপ্তি ও বৃদ্ধি শুরু হয়। কোনো মেয়ের যদি এই ইস্ট্রোজেন এর প্রতি অস্বাভাবিক স্পর্শকাতরতা (altered sensitivity) থাকে তাহলে স্তনের এমন অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি শুরু হয়। এমনটি হলে স্তন এতো বড় হয়ে যায় যে বসা অবস্থায় দুই পাশের স্তনই মেয়েটির হাটু পর্যন্ত এসে পৌছতে পারে। প্রায় সব ক্ষেত্রেই দুই পাশের স্তন এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই সমস্যাটি অস্বস্তিকর এবং অনেক সময় তা দৃষ্টিকটু হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাই এর চিকিৎসা করানোর প্রয়োজন আছে। অনেক সময় ইস্ট্রোজেন বিরোধী (Antioestrogen) অসুধ ব্যবহার করে এই সমস্যায় ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এতে যদি স্তন ছোটো হয়ে না আসে তা হলে রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি (Reduction mammoplasty) নামক অপারেশন করিয়েই এর স্থায়ী চিকিৎসা করাতে হবে।
নেট থেকে
স্প্যাসমোডিক ডিজমেনোরিয়া (পিরিয়ডের সময় পেটব্যাথা)
সে দিন ১৫/১৬ বছরের মেয়েকে দেখলাম তার তিনজন মহিলা আত্বীয় ধরে ধরে নিয়ে আসছেন। মেয়েটি পেটব্যাথায় প্রায় কুকরে গেছে, হাঁপাচ্ছে, কাঁদছে।
কী হয়েছে জিজ্ঞেস করাতে তার মা বললেন, প্রতেয়ক মাসে “মাসিক” হওয়ার সময় সে ব্যাথায় প্রায় অজ্ঞান হয়ে যায়। মেয়েটির নাম জানালাম আফসানা খাতুন (কাল্পনিক মাম)। আজ একেবারে অসহনীয় হওয়ায় পাড়াপড়শিরা বলেছে শিগগির ডাক্তার দেখাও। চিকিৎসা না হলে এর বিয়েসাদি হবেনা।
অল্পবয়সী মেয়েদের এটি একটি খুবই সাধারন সমস্যা।
আরো পড়ুন »