goponkota

Just another WordPress.com site

যৌনতা বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান-১

নারীর যৌনাঙ্গ

নারীর যোনি হলো একটি সুড়ঙ্গ পথের মতো যা যোনিদ্বার থেকে জরায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। নারীর জীবনে তার যোনিতে ঘটে নানা পরিবর্তন। শিশুদের যোনি পূর্ণ বয়স্কা নারীর যোনি থেকে ভিন্ন। শিশুকন্যার মাসিক শুরু হয়নি এমন কন্যার যোনির পাশের পর্দাটি পূর্ণবর্তী নারীর তুলনায় পাতলা হয়। এ পরিবর্তন ঘটে ইস্ট্রোজেন হরমোনের ফলে যা নির্গত হয় ডিম্বাশয় থেকে। যৌনক্রিয়া এবং   আরো পড়ুন »

জানুয়ারি 22, 2012 Posted by | জানা-অজানা, টিপস, নারী | Leave a Comment

স্তন ক্যান্সার

বিশ্বে মহিলারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন স্তনের ক্যান্সারে। অনুমিত হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে ১০ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মহিলা প্রতিবছর নতুন করে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার মহিলা উন্নত দেশগুলোর, বাকিরা উন্নয়নশীল দেশগুলোর। বাংলাদেশে মহিলাদের ক্যান্সার হিসেবে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের স্থান শীর্ষে, দ্বিতীয় স্থানে স্তন ক্যান্সার এটাই বরাবরের ধারণা। তবে হাসপাতালভিত্তিক ক্যান্সার রেজিস্ট্রি থেকে সাম্প্রতিক পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহিলাদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের স্থান শীর্ষে।  আরো পড়ুন »

জানুয়ারি 22, 2012 Posted by | জানা-অজানা, নারী, সমস্যা, স্তন | Leave a Comment

মেয়েদের পিরিয়ড বন্দ্ব হওয়া কোন ব্যাধি নয়

মেয়েদের পিরিয়ড বন্দ্ব হওয়া একটি প্রাকৃতিক জৈব প্রক্রিয়া। কিন্তু পিরিয়ড বন্দ্ব হওয়ার সময় যেসব শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে তা জীবনের স্বাভাবিক ছন্দকে বিঘ্নিত করে। সাধারণত গর্ভধারন কিংবা অন্যান্য যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কোন মহিলার একবছর নিয়মিত পিরিয়ড না হলে তার মেয়েদের পিরিয়ড বন্দ্ব  হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়। পশ্চিমা রমণীদের গড়ে ৫১ বছর বয়সে এটা ঘটে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের মহিলাদের এটা অনেক ক্ষেত্রে আগেও ঘটতে দেখা যায়।  আরো পড়ুন »

জানুয়ারি 22, 2012 Posted by | জানা-অজানা, নারী, নারীর একান্ত সমস্যা | Leave a Comment

স্তনের বোটা ভেতরে ঢুকে যাওয়া

বয়োসন্ধিতে স্তনের পরিপূর্ণতা ও বৃদ্ধির সময় অনেক মেয়ের স্তনের বোটা (Nipple) স্তনের ভিতরের দিকে ঢুকে যায়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই শুধু একপাশের স্তন এই ধরনের সমস্যায় পরে। এর জন্য বিশেষ কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। সাধারণত গর্ভধারন অথবা দুগ্ধদানের সময় নিজে নিজেই এই সমস্যা ভালো হয়ে যায়। যদি দুগ্ধদানের সময় এই সমস্যা ভালো না হয়ে যায় সেক্ষেত্রে আরো পড়ুন »

জানুয়ারি 22, 2012 Posted by | জানা-অজানা, নারী, স্তন | Leave a Comment

নারীদেহে অবাঞ্ছিত লোম

অক্টোবর 6, 2011 Posted by | টিপস, নারী | Leave a Comment

নারীদেহে অবাঞ্ছিত লোম

নারীদেহে অবাঞ্ছিত লোম কিছুতেই কাম্য নয়। কারণ এতে নারীর দৈহিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায় এবং এটি এক অসহ্য যন্ত্রণার বিষয় হয়ে ওঠে।

হারসুটিজমঃ মেয়েদের মুখে, বুকে ও নাভীতে অবাঞ্ছিত লোম সৃষ্টির ডাক্তারি নাম হলো হারসুটিজম। রোগটির আরো কিছু লক্ষণ হলো মাসিকচক্রে অনিয়ম, স্তনদ্বয় ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে যাওয়া, গলার স্বর ভারী হওয়া এবং পুরুষসঙ্গীর প্রতি ক্রমান্বয়ে আকর্ষণ কমে যাওয়া। কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে বন্ধ্যা হওয়ার আরো পড়ুন »

অক্টোবর 6, 2011 Posted by | টিপস, নারী | 3 টি মন্তব্য

নারীর বহিঃ যৌনাঙ্গ

অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বাইরে পুরুষের চেয়ে নারীর স্বতন্ত্র কিছু যৌনাঙ্গ রয়েছে । প্রথমত এটি হচ্ছে স্তন বা ব্রেস্ট । নারীর স্তন যুগল একই সাথে নারীরত্বকে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি এটি যৌন জীবনে এবং মাতৃত্বকালীন সময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নারীর নারীত্ব পূর্ণ মাত্রায় ফুটে উঠে তার স্তনের বিকাশের সাথে সাথে । পুরুষের নারীর মতো স্তন নেই তবে স্তনের স্পর্শে পুরুষও আবেদিত বা উত্তেজিত হয়। যৌন জীবনের প্রধান ভূমিকা রাখে আরো পড়ুন »

সেপ্টেম্বর 21, 2011 Posted by | জানা-অজানা, নারী | Leave a Comment

মেনোপজ নিয়ে দু’টি কথা

দুরন্ত কৈশোর পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ নারী হয়ে উঠতে শরীর ও মনে, দেহের ভেতরে-বাইরে নানা রকম পরিবর্তন হয়। ভেতরে এ পরিবর্তনের অন্যতম হলো রজঃস্রাব বা মাসিক। এটা সাধারণত ১২ থেকে ১৪ বছরের মেয়ের শুরু হয় যদিও পারিবারিক, সামাজিক, ভৌগোলিক, স্বাস্থ্য ও ভিন্ন পরিবেশে এর কিছুটা ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। আবার ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে পূর্ণাঙ্গ নারীর জীবনে আসে বিরাট পরিবর্তন, সেটাও শরীরের ভেতরে ও বাইরে। এর মধ্যে অন্যতম হলো আরো পড়ুন »

সেপ্টেম্বর 12, 2011 Posted by | জানা-অজানা, টিপস, নারী | Leave a Comment

নারীর পিরিয়ডের সমস্যা

কৈশোর থেকে পরিপূর্ণ নারী হয়ে ওঠার জন্য শরীরের ভেতরে ও বাইরে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সের মেয়েদের বিভিন্ন রকম পরিবর্তন হয়। অনেক পরিবর্তনের অন্যতম একটি হলো রজঃস্রাব, যা সাধারণত মাসে মাসে হয়—তাই এটাকে মাসিক বা পিরিয়ড অথবা সাইকেলও বলা হয়। সাধারণত এটা তিন থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়। এ মাসিকই আবার অনেক সময় দুই বা তিন অথবা চার মাস পরপর হয়। আবার কখনো কখনো আরো পড়ুন »

সেপ্টেম্বর 12, 2011 Posted by | জানা-অজানা, টিপস, নারী | Leave a Comment

ডিম্বাণু বেরোনোর সময় ব্যথা হওয়া

নারীর প্রজনন অঙ্গগুলোর মধ্যে জরায়ু এবং দুটি ডিম্বাশয়ও অন্তর্ভুক্ত। বয়ঃসন্ধির পর থেকে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া (মেনোপোজ) পর্যন্ত গর্ভকাল ছাড়া প্রতিটি নারীর মাসিক চক্র চলতে থাকে। প্রতি মাসে একটির বেশি ডিম্বাণু বড় হতে থাকে এবং মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি পরিণত অবস্থায় স্ফুরিত হয়। ডিম্বাশয় থেকে বের হয়ে আসা ডিম্বাণুটি শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হলে ভ্রূণ তৈরি হয়, আরো পড়ুন »

সেপ্টেম্বর 12, 2011 Posted by | জানা-অজানা, টিপস, নারী | Leave a Comment

ডিজমেনোরিয়া বা পিরিয়ডের ব্যথা

ঋতুস্রাব বা মাসিকের সময় তলপেটে কোনো ব্যথা বা কষ্টদায়ক অনুভূতি হয় না, এমন নারীর সংখ্যা কম। পরিমাণগত দিক দিয়ে এ ব্যথা সামান্য থেকে তীব্র যেকোনো মাত্রায় হতে পারে। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এ ব্যথার পরিমাণ যখন এমন হয় যে তা দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত করে, তখনই কেবল এটাকে অসুস্থতা বা ডিজমেনোরিয়া বলে গণ্য করা হয়। ডিজমেনোরিয়া দুই ধরনের—প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি। আরো পড়ুন »

সেপ্টেম্বর 12, 2011 Posted by | জানা-অজানা, টিপস, নারী | Leave a Comment

লিউকোরিয়া (সাদা স্রাব)

লিউকোরিয়া হচ্ছে সাদা স্রাব। নারীর যোনি থেকে ক্রমাগত সাদা তরলের ক্ষরণ হলে তাকে লিউকোরিয়া বলা হয়। আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলের নারীদের এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায় বেশি। ভারতের উত্তর প্রদেশের নারীরা এই রোগে আক্রান্ত হয় বেশি।
লিউকোরিয়ার সাধারণ কারণ-
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ।
যোনিতে স্প্রে ব্যবহার ।
রক্তাল্পতা এবং দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকা ।
ট্রিকমোনাল ইনফেকশন ।
মনিলিয়াল ইফেকশন ।
কারভিকটিজ ।
লিউকোরিয়া প্রতিরোধের কয়েকটি উপায়-
সুতির প্যান্টি ব্যবহার করা ।
যৌনতায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ।
যৌনমিলনের আগে এবং পরে যৌনাঙ্গ ধৌত করা ।
যোনির পিচ্ছিলতা বাড়াতে কেওয়াই জেলি ব্যবহার ।
যোনিতে কোনো প্রকার স্প্রে ব্যবহার না করা ।
জন্ম নিরোধক পিল সেবনের পূর্বে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সর্ম্পকে জেনে নেয়া ।
সুষম খাদ্য গ্রহণ । 
নেট থেকে

সেপ্টেম্বর 11, 2011 Posted by | জানা-অজানা, নারী, লিউকোরিয়া | Leave a Comment

নারীদের প্রকারভেদ/ নারী কত প্রকার ও কি কি

নারীদের চেনা আসলেই কঠিন। তবে প্রকারভেদ করে ফেললে চিনে ফেলাটা মনে হয় একটু সোজা হয়ে যায়। দীর্ঘ এই জীবনে আশে পাশে তো কম রমণী দেখিনি,তাই তাদের দেখে যা শিখলাম তাই তুলে ধরার ক্ষুদ্র প্রয়াস এই পোস্ট।B-)

ঘরপ্রিয় নারী :
এই ধরনের নারীরা সাধারণত ঠাণ্ডা প্রকৃতির হয়। সাংসারিক কাজে আগ্রহ থাকে বেশি। বসে বসে টিভি সিরিয়াল দেখাই এদের বিনোদনের অন্যতম প্রধান উৎস। এরা অল্পতে অভিমান করে , অল্পতেই খুশিও হয়। কারো প্রতি কোন রাগ বা অভিমান থাকলে তা প্রকাশ না করে বছরের পর বছর মনের মধ্যে পুষে রাখতে পারে।

উচ্চাভিলাষী নারী : 
এই ধরনের নারীদের জনপ্রিয় হবার বাসনা প্রবল। সবার উপরে কিভাবে যাওয়া যায় সেই চেষ্টায় এরা সর্বদাই মগ্ন থাকে। এই শ্রেণীর নারীদের অর্থের প্রতিও বিশেষ দুর্বলটা দেখা যায়। বিত্তের জন্য এরা যে কোন কিছুই করতে সর্বদা প্রস্তুত। তবে ব্যক্তিগত জীবনে এরা তেমন সুখী হয়না। কারন উচ্চে উঠার বাসনা কখনো বাড়ে বৈ কমে না। :D

বুদ্ধিমতী নারী : 
সবচেয়ে কম সংখ্যক নারী এই শ্রেণীভুক্ত। বাস্তবিকভাবে অনেক নারী নিজেদের বুদ্ধিমতী ভাবলেও তারা এই শ্রেণীভুক্ত হতে পারে না। বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তা দুটো আলাদা জিনিস। বিচক্ষণতার সাথে অভিজ্ঞতা জড়িত, বুদ্ধিমত্তার সাথে নয়। বুদ্ধিমতী নারীরা অনেক সময় জীবনের চরম সত্য গুলো আবিস্কার করে অনেক মূল্যহীনতায় ভুগে। অনেকে তাদের বুদ্ধির জোরেও এই সমস্যাকে মাথা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। তবে এরা সাধারনত জীবনের চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারে অনেক সন্তুষ্ট হয় অল্পতেও।

ফটকা নারী :
এরা সাধারণত বন্ধু কিংবা বান্ধবী বেষ্টিত হয়ে থাকতে পছন্দ করে। সব ধরনের উৎসবমুখর কর্মকাণ্ডে এদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। দৈনন্দিন জীবনে এদের বেশিরভাগ সময় কাটে ইন্টারনেটে বিভিন্ন মেসেঞ্জার এ টাংকি বাজি করে। এরা খুবই অস্থির প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংসারিক কাজ এদের ভালো লাগে না যেমন ,তেমনি এক পুরুষকেও বেশীদিন ভালো লাগেনা এদের। /:) 

সহজ সরল নারী : 
বাংলাদেশে এ ধরনের নারীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এরা সাধারণত খুব সহজেই অন্যর দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ কারনে এরাই সবচেয়ে বেশি প্রতারনার ও শিকার হয়। এদেরকে সৎ পথে ও ভালো রাখার জন্য অভিভাবকত্ব খুবই জরুরী। সাংসারিক জীবনেও এরা বেশ সুখী হয়।

ক্যাচাল প্রিয় নারী / ঝগড়াটে নারী : 
এরা সাধারনত সব ধরনের কাজেই ঝামেলা করে মজা পায়। দিনের মধ্যে না চিল্লাচিল্লি করলে এদের পেটের ভাত হজম হওয়া কষ্টকর। এরা আধিপত্য করতে ভালোবাসে। এসব নারী প্রেমিকা হিসেবে ভালো হলেও বৌ হিসেবে অত্যন্ত ভয়াবহ।:-/

সন্দেহপ্রবন নারী :
এদের জীবনের মুল লক্ষ্যই হল যেকোনো কাজের মধ্যে গভীর কোন অর্থ খুজে বের করা। এদের জীবন কাটে স্বামীর টেলিফোন ,প্যান্টের পকেট , ড্রয়ার প্রভৃতি জিনিস পত্র চেক করে। এরা তাদের স্বামীকে খুব সাবধানে আগলে রাখতে চায়। জায়গা জমি কিনবা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়েও এরা প্রচুর দুশ্চিন্তায় ভোগে। 

আত্মাভিমানী নারী :
এরা কোন এক অজ্ঞাত কারনে সব দোষ নিজের উপর টেনে আনতে পছন্দ করে। এরা ইচ্ছা করে নিজেরা কষ্ট পেতে পছন্দ করে। কষ্টের জন্য চোখের জল ঠিকই পড়ে কিন্তু এটা যে নিজেরই তৈরি সেটা কখনো মনে করে না।
এরা সারা জীবনভর শুধু কষ্টই পায়। এদের জীবনে সুখ কম।

আহ্লাদী নারী : 
এরা সবসময় ছোট বাবুর মতো নাকি সুরে কথা বলতে ও শুনতে পছন্দ করে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারে আহ্লাদী নারী প্রায় জন্মায় না বললেই চলে। এরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উচ্চবিত্ত বেশি হয়। খুব সাধারণ ব্যবহার্য জিনিসে নাক সিটকানোর একটা অদ্ভুত প্রবনতা দেখা যায় । এরা আহ্লাদী হয় কারন এরা তাদের বাবা মা এর কাছ থেকে মানুষ হবার যোগ্য শিক্ষা পায় না।

দু মুখো নারী : 
এরা প্রচুর পরিমানে বানিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে । মুহূর্তের মধ্যেই কথা ঘুরিয়ে ফেলার আশ্চর্য এক ক্ষমতার অধিকারী এই শ্রেণীর নারীরা । এদের জন্য মানুষে মানুষে সাধারণত হানাহানি , ঝগড়া বিবাদ বেশি হয় । এদের দেখামাত্র ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করা প্রত্যেকের অবশ্য কর্তব্য।

জ্ঞানী নারী : 
সমাজে এদের অবস্থান বেশ উপরের দিকে। যদিও এরা নিভৃতে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় তারা ব্যয় করে উচ্চশিক্ষার পিছে। অর্জিত যে কোন ধরনের জ্ঞান ই তারা ব্যবহার করে তাদের বাস্তব জীবনে আদর্শ নারী সমাজ গড়ে তোলার পিছে তাদের অবদান চিরদিন ছিল,আছে ,থাকবে।

পল্টিবাজ নারী : 
এরা খুব স্বার্থপর ধরনের হয়। স্বার্থের জন্য যেটা ভালো , সেটাই এরা করে ছাড়ে। কে কি বলল না বলল তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। এরা ন্যায় অন্যায় বিচার করতে পারলেও এটা নিয়ে মনে মনে দুঃখ করা ছাড়া এদের কার কোন কাজ নেই। এরাও খ্যাতির পিছেই ছোটে , কিন্তু খ্যাতিও এদের বোকাই বানায়। 

কনফিউজড নারী :
যে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে এরা হতাশায় ভোগে। এদের সবসময় মনে হয় সে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ,সেটা সঠিক নয়। এ ধরনের নারীরা খুব অল্প ব্যর্থতাতেই খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এদের জন্য কাউন্সেলিং জরুরী।

আত্মকেন্দ্রিক নারী : 
নিজেকে নিজের মাঝে গুটিয়ে রাখতে এরা পছন্দ করে। এদের পৃথিবীতে অন্যর হস্তক্ষেপ কিনবা অভিবাসন এরা একেবারেই পছন্দ করে না। এরা বেশিরভাগই কল্পনাপ্রবন হয়। এদের আত্মসম্মান বোধ অতিমাত্রায় প্রবল। এরা গৃহিণী হিসেবেও বেশ ভালো ।

ধার্মিক নারী :
এদের সাধারণত আপাদমস্তক সবসময়ই ঢাকা থাকে। এরা সবাই রক্ষণশীল নীতি মেনে চলে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে এধরনের নারী বেশি থাকলেও উচ্চবিত্তদের মাঝে এদের সংখ্যা কম নয়। এরা সাধারণত ঠাণ্ডা প্রকৃতির ও স্থির মেজাজের হয়। মাঝে মাঝে কিছু নারী এই ধার্মিকতার লেবাস ধরলেও তারা আসলে এই শ্রেণীভুক্ত নয়।

ছলনাময়ী নারী / প্রতারক নারী :
পোশাক আশাক কিনবা আচার ব্যবহারে অন্যদের থেকে এদের আলাদা করা অসম্ভব কঠিন। এদের প্রায় পুরোটুকুই মিথ্যা। এরা বেশি থাকে বাস টার্মিনালে, লঞ্চ ঘাট কিনবা ট্রেন স্টেশনে। এসব জায়গায় যেচে পড়ে কেউ এগিয়ে এলে সতর্ক হোন। নিরপরাধ ও সহজ সরল মানুষেরা এদের শিকার হয় প্রায়শই। এদের দেখা আর ১০ নম্বর বিপদ সংকেত দেখা একই কথা।

ক্রিমিনাল নারী : 
এরা আমাদের দেশে কম । বাইরের দেশে এদের সংখ্যা বেশি । এরা সাধারণত ভেঙে যাওয়া পরিবারের সন্তান। শৈশবের কিংবা কৈশোরের কোন ঘটনা যা তাকে ভুগিয়ে থাকে ,নির্দোষ হবার পরেও ,তারা সাধারণত অনেক বড় ধরনের অপরাধী হয়। আর এর সাথে যদি যোগ হয় বুদ্ধিমত্তা ,তাহলে তো খবরই আছে। এরা অনেক বেশি প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে থাকে।

লুল প্রিয় নারী :
অবিশ্বাস্য ভাবে পুরো পৃথিবীতেই এদের সংখ্যা খুব দ্রুত বাড়ছে। :-/ এরা সবসময় এদের চারপাশে একদল মুগ্ধ পুরুষ দেখতে ভালোবাসে। এরা নিজেরা নিজেদের সীমানা টুকু ভালোই চেনে , কিন্তু বেচারা ছাগল পাগল ছেলেরা পরে বাঁশটা খায়। এরা সর্বদাই সুখী হয়। দুঃখ এদের জীবনে থাকলেও তা হয় খুবই সাময়িক ।:)

এটি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের ক্ষুদ্র এক দর্শন মাত্র। :``>> এর কোন ব্যাতিক্রম থেকে থাকলে তার জন্য লেখক দায়ী
নয়

জুন 1, 2011 Posted by | জানা-অজানা, টিপস, নারী | Leave a Comment